পশ্চিমবঙ্গ

একনজরে পশ্চিমবঙ্গ

পশ্চিম বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গ ভারতবর্ষের পূর্বপ্রান্তে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য। ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, বিহার, সিকিম ও আসাম ছাড়াও বাংলাদেশ, ভুটান, এবং নেপাল রাষ্ট্র পরিমণ্ডিত এই রাজ্যের পরিধি বিভিন্ন জেলায় বিভক্ত। সুউচ্চ হিমালয়ের পাদদেশ থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গোপসাগরের উপকূল অবধি বিস্তীর্ণ এই ভুখন্ডটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ন। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন অংশে ভাগ হলেও পশ্চিমবঙ্গ নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের জন্য সারা বিশ্বে প্রশংসিত।

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা এবং মূল ভাষা বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, নেপালী, সাঁওতালী আরও কিছু অন্যান্য ভাষার প্রচলন আছে। ৮৮,৭৫০ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এই ভুখন্ডটি আয়তনে ভারতবর্ষের ১৪-তম রাজ্য এবং প্রায় এখানে প্রায় সওয়া ৯ কোটি মানুষ বসবাস করেন। খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ বঙ্গ রাজ্য থেকে মগধ, মৌর্য্য, গুপ্ত, গৌড়, মুসলিম সাম্রাজ্য, এবং সর্বশেষ ইংরেজ রাজত্বকালের সাক্ষী বয়ে বেড়াচ্ছে গোটা রাজ্য। প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ছাড়াও ঐতিহাসিক প্রাচুর্য্যে ভরা পশ্চিমবঙ্গ তাই পর্যটনের পীঠস্থান হয়ে উঠেছে। এখানকার মানুষের আতিথেয়তা ও সারল্য ভারতবর্ষের অন্য অংশের চেয়ে এই স্থানটিকে আলাদা করে রাখে।

উত্তরের সুউচ্চ পর্বত শৃঙ্গ থেকে ডুয়ার্স, তরাই, গাঙ্গেয় সমতলের অকৃত্তিম শস্য-শ্যামলা নদীমাতৃক মধ্যভূমি, পশ্চিমের মালভুমি আর দক্ষিণের বেলাভুলি ও ম্যানগ্রোভ অরণ্যের পাহারাদার রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পর্যটকদের রোমাঞ্চিত করবেই। উঁচু-নিচু চা-বাগান থেকে জাতীয় উদ্যান, ঐতিহাসিক সৌধ-মিনার থেকে তীর্থস্থান ছড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। আপনি যদি প্রকৃতির সাথে ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে আবৃত হয়ে অ্যাডভেঞ্চারে ডুব দিতে চান তবে পশ্চিমবঙ্গের পথ-ঘাট, চলমান জীবনধারা, স্পন্দনশীল শহর আর নিরিবিলি অরণ্য আপনাকে বুকে জড়িয়ে নিতে প্রস্তুত।

পশ্চিমবঙ্গের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে জনপ্রিয় হল – দীঘা, মন্দারমণি, মুকুটমনি পুর, অযোধ্যা পাহাড়, শুশুনিয়া পাহাড়, সুন্দরবন, গঙ্গাসাগর, বকখালি, বেলুড় মঠ, তারাপীঠ, শান্তিনিকেতন, হাজারদুয়ারি, দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলদাপাড়া-গরুমারা, লাভা-লোলেগাঁও ইত্যাদি। এছাড়াও রাজধানী কলকাতা মহানগরটি নিজেই একটি ভ্রমণস্থল। ভিক্টরিয়া মেমোরিয়াল, মনুমেন্ট, বিড়লা প্লানটেরিয়াম, ময়দান, চিড়িয়াখানা, কালীঘাট-দক্ষিনেশ্বর, ইকো পার্ক, মিলেনিয়াম পার্ক ইত্যাদি জনপ্রিয়। এখানকার সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপুজো। সেই সময় কলকাতার চেহারা আর মেজাজটাই অন্যরকম, এই উৎসবে সামিল হয়ে এর সাক্ষী থাকাটাও একটা বড় প্রাপ্তি।

পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ আকর্ষণ

Red-soil-path-covered-with-kash-ful-through-the-paddy-field-eco-tourism - Abokash Images

Rural & City Life

0 tour
Short-trip-to-the-most-visited-holy-place-Dakshineswar-Kali-Temple - Abokash Images

Pilgrims & Religious

0 tour
A fresh morning with lovely view of Kanchenjunga and Himalayan Range from Jhandi dara - Abokash images

Hills Station

1 tour
Royal-Bengal-tiger-male-spotted-at-dense-forest-while-taking-rest-after-lunch - Abokash Images

Forest & Wildlife

1 tour
Rolep - Sachen - Village Trip - East Sikkim - Abokash Images

Eco Tourism

0 tour
Weekend-trip-to-the-terracotta-temple-city-Bishnupur - Abokash Images

Cultural & Heritage

0 tour
A joyful day on beach lovely seashore of Bengal beaches - Abokash images

Beach & Island

0 tour

Architectural Wonders

0 tour
Solo-trekker-hiking-up-to-Eastern-Himalaya-range-in-Singalila-national-park-India-Nepal-Border - Abokash Images

Adventure & Sports

0 tour

পশ্চিমবঙ্গ ভ্রমণের আদর্শ সময়

পশ্চিমবঙ্গ বেড়ানোর উপযুক্ত সময় শীতকাল। শীত ও বসন্তের উপস্থিতি থাকে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। ঠান্ডার আমেজে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের জন্য এই সময় খুবই মনোরম। গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য উত্তরবঙ্গ আদর্শ স্থান। মার্চের শুরু থেকে জুনের মাঝামাঝি অবধি দক্ষিণবঙ্গের দাবদহন থেকে মুক্তি পেতে হিল-রিজিওন গুলিতে মনোরম আবহাওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ ভ্রমণ করেন। তবে বর্ষাকাল এড়িয়ে যাওয়ায় শ্রেয়। খুব কম সময়ের জন্য বর্ষার স্থায়িত্ব হলেও বিভিন্ন স্থানে ধস ও বন্যার প্রকোপ দেখা দেয়। শরৎকাল (লেট অক্টোবর) একটি বিশেষ সময় পশ্চিমবঙ্গ বাসীদের জন্য। এই সময় সারা রাজ্যটি উৎসবে সেজে ওঠে; প্রথমে দুর্গাপুজো এবং শেষ হয় দিওয়ালী দিয়ে।

পশ্চিমবঙ্গের আবহাত্তয়া

গ্রীষ্মকাল

পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব বেশ লম্বা। মার্চের মাঝামাঝি থেকে একেবারে সেপ্টেম্ববের শেষ অবধি। মাঝে বর্ষা মাস খানেকের স্বস্তি দিলেও গরমের প্রকটাই টের পাওয়া যায় বেশী। এপ্রিল-মে -তে তাপমাত্রা ৪৫°C ছাড়িয়ে যায় কখনো কখনো আর সাথে আদ্রতা ঘোরাফেরা করে ৯০-৯৫% এর ঘরে। কম বেশি গোটা রাজ্যেই একই অস্বস্তি আসে এই সময়। কেবলমাত্র পাহাড়ি অঞ্চল গুলির তাপমাত্রা ২০°C এর মধ্যেই ঘোরাফেরা করে।তাই একটু সাময়িক স্বস্তির জন্য ওই সময় অনেকে দার্জিলিং/কালিম্পঙ এর মতো বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে বেরিয়ে আসেন। মেঘমুক্ত আকাশ ও হাল্কা ঠান্ডা, পাহাড়ি অঞ্চলগুলিকে আরও মনোরম ও মোহময়ী করে তোলে।

বর্ষাকাল

পশ্চিমবঙ্গে বর্ষাকালের স্থায়িত্ব বেশ কম। জুলাই এর মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বর অবধি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়। এখানে অগাস্ট মাসে ভারী বৃষ্টি হয়। এর মাত্রা প্রায় ১০০-১২৫ cm এবং তাপমাত্রার পারদ নেমে আসে ৩০°C এর ঘরে। ফলে, অনেক জেলাই বানভাসী হয়ে পড়ে এবং জলজনিত সমস্যা ও রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। পাহাড়ি অঞ্চলে এই সময়ে বৃষ্টিপাতের পরিমান প্রায় দ্বিগুন হয়ে যায় (২০০-২৫০ cm) এবং ধস নেমে প্রায়শই রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। তাই বর্ষাকালে পাহাড়ে ভ্রমণ অত্যন্ত ঝুকিসাপেক্ষ। তবে, বর্ষাকালীন বাংলার রূপ অনবদ্য। চারিদিক মুড়ে যায়  ঘন সবুজে আর বৃষ্টির জন্য আবহাওয়াও গ্রীষ্মের তুলনায় অনেক ঠান্ডা থাকে। তাই আপনি যদি এই সময় বাংলার গ্রাম পরিদর্শন করতে আগ্রহী হন তবে, কম দিনের ভিলেজ ট্যুর করা সম্ভব।

শীতকাল

শীতকাল হল পশ্চিমবঙ্গ বেড়ানোর আদর্শ সময়। ঠান্ডার দৈর্ঘ এতটাই ছোট যে সেটিকে শরৎ, শীত ও বসন্ত কালের সাথে যোগ করেও সাকুল্যে সেটি ৪ মাস (নভেম্বর – ফেব্রুয়ারী) স্থায়ী হয়। সবচেয়ে ঠান্ডার মাস হল জানুয়ারী। সমগ্র বাংলার শীতের তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করে  ৯-১২°C -এর মধ্যে। উত্তর বঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যায়। দার্জিলিং জেলার তাপমাত্রা -৬°C এর নিচেও চলে আসে কখনও কখনও। শীতের শুরুতে (শরৎ – অক্টোবর) বাঙালির শ্রেষ্ট উৎসব মহা ধুমধামে পালিত হয়। তাই ওই সময় পশ্চিমবঙ্গ ভ্রমণ একটি বাড়তি পাওয়া। শীতের ভোরে গাঢ় কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো তাদের সরিয়ে একটি ঝকঝকে দিনের সূচনা করে। এই সময়ের বেশিরভাগ দিনে আকাশ আংশিক মেঘে ঢাকা থাকে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারী পর্যটক দার্জিলিং এড়িয়ে চললেও বাংলার অন্য স্থানা গুলিতে উপচে পড়া ভিড় জমে। অনেক স্থানে বিভিন্ন মেলা বসে। যাঁরা ভিলেজ ট্যুর পছন্দ করেন তাদের জন্য এই সময়ে মেলা গুলি আরও একটি বাড়তি পাওনা।

Why Book With Us?

  • No-hassle best price guarantee
  • Customer care available 24/7
  • Hand-picked Tours & Activities
  • Free Travel Insureance

Proceed Booking